রেহানা মৃদু হেসে
'মা, আমার চশমা? আমার চশমা কোথায় মা?'
শুভ্র হাহাকার করে উঠলো। গতকাল রাতে ঘুমোবার সময় রসময় গুপ্তের চটিবই পড়তে
পড়তে যে কোন সময় ঘুমিয়ে পড়েছিল তা শুভ্র খেয়ালই
করেনি। ঘুম হঠাৎ করে ভেঙে যাওয়ার পর পরই তার খেয়াল হলো যে রসময় গুপ্তের
বইটি সে জায়গামতন লুকাতে ভুলে গেছে। সে তড়িঘড়ি করে
বিছানায় এদিক ওদিক হাতড়াতে লাগল চশমা আর রসময় গুপ্তের বইটির জন্য। এর
মধ্যে আবার বোকার মতন মাকে ডেকে ফেললো সে। মা যদি
দেখতে পান রসময় গুপ্তের বই, তাহলেই খবর আছে।
শুভ্রের মা রেহানা ছেলের ডাক শুনে রুমে ছুটে আসলেন। গাড় মমতা নিয়ে ছেলের
দিকে তাকালেন। কি অদ্ভুত ভঙ্গিতেই না বিছানার এদিক সেদিক
সে তার চশমা খুঁজছে। ছেলেটি লুঙ্গিটিও ঠিক মতন পরেনি। তার নুনুটি এই বের
হয়তো সেই বের হয় অবস্থা। রেহানা কাছে এসে শুভ্রকে বললেন,
'কিরে বাবা, চশমা খুঁজে পাচ্ছিস না? চশমা কোথায় রেখেছিস ঘুমোবার আগে?' ঠিক
এমন সময় বাসার কলিং বেলে শব্দ হলো। রেহানা
বললেন, 'দাঁড়া বাবা, আমি দরজাটা খুলে আসি।'
রেহানা দরজা খুলতেই দেখলেন যে শুভ্রর ক্লাসমেট ইলোরা আর আনুষ্কা এসেছে।
ইলোরা রেহানাকে সালাম দিয়ে বলল, 'খালাম্মা, শুভ্র কি আছে?
আজকে আমাদের দারুচিনি দ্বীপের ট্যুর সংক্রান্ত একটি মিটিং আছে। আমরা এসেছি
শুভ্রকে নিয়ে যাবার জন্য।' রেহানা মৃদু হেসে ওদেরকে ভিতরে
আসার জন্য ইসারা করলেন। তারপর শুভ্রর রুম দেখিয়ে দিয়ে বললেন, 'যাও মা,
তোমরা শুভ্রর রুমে চলে যাও। আর শোনো মা, শুভ্র ওর
চশমাটা খুঁজে পাচ্ছে না। ও তো আবার চশমা ছাড়া কিছুই দেখতে পারে না। তোমরা
কি ওকে ওর চশমাটা খুঁজে পেতে একটু হেল্প করবে? আমি
তাহলে এ ফাঁকে আমার অন্য কাজগুলো সেরে নিতে পারবো।'
আনুষ্কা হেসে বলল, খালাম্মা, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আমরা খুঁজে দিব।
বলে আনুষ্কা আর ইলোরা শুভ্রর রুমের ভিতরে চলে গেল।
ওদের দেখেই শুভ্রও বলল, 'আরে তোমরা? সরি, আমি ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি করে
ফেলেছি। গতকাল রাতে ঘুমাতে একটু বেশ দেরি
করে ফেলেছিলাম। একটা বই পড়ছিলাম।'
রেহানা দরজা খুলতেই দেখলেন যে শুভ্রর ক্লাসমেট ইলোরা আর আনুষ্কা এসেছে।
ইলোরা রেহানাকে সালাম দিয়ে বলল, 'খালাম্মা, শুভ্র কি আছে?
আজকে আমাদের দারুচিনি দ্বীপের ট্যুর সংক্রান্ত একটি মিটিং আছে। আমরা এসেছি
শুভ্রকে নিয়ে যাবার জন্য।' রেহানা মৃদু হেসে ওদেরকে ভিতরে
আসার জন্য ইসারা করলেন। তারপর শুভ্রর রুম দেখিয়ে দিয়ে বললেন, 'যাও মা,
তোমরা শুভ্রর রুমে চলে যাও। আর শোনো মা, শুভ্র ওর
চশমাটা খুঁজে পাচ্ছে না। ও তো আবার চশমা ছাড়া কিছুই দেখতে পারে না। তোমরা
কি ওকে ওর চশমাটা খুঁজে পেতে একটু হেল্প করবে? আমি
তাহলে এ ফাঁকে আমার অন্য কাজগুলো সেরে নিতে পারবো।'
আনুষ্কা হেসে বলল, খালাম্মা, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আমরা খুঁজে দিব।
বলে আনুষ্কা আর ইলোরা শুভ্রর রুমের ভিতরে চলে গেল।
ওদের দেখেই শুভ্রও বলল, 'আরে তোমরা? সরি, আমি ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি করে
ফেলেছি। গতকাল রাতে ঘুমাতে একটু বেশ দেরি
করে ফেলেছিলাম। একটা বই পড়ছিলাম।'তখনো শুভ্রর চোখমুখ যেন লজ্জায় লাল হয়ে আছে। ইলোরা হাসতে হাসতে বলল, এই
শুভ্র, তুমি কি এখনো ভার্জিন নাকি? আজকালকার যুগে
তো আর উনিশ বিশের পরে কেউ ভার্জিন থাকে না।
আনুষ্কাও ইলোরার সাথে তাল মিলিয়ে বলল, কি শুভ্র, তুমি কি এই আই বুড়ো বয়সেও
ভার্জিন হয়ে আছো নাকি? এখনো শুধু রসময় গুপ্ত পড়ে আর হ্যান্ডেলিং মেরে চলছ
নাকি? আজকাল তো সেক্স কোনো ব্যাপারই না?
শুভ্র কি বলবে বুঝে উঠতে পারছে না। তার খুবই লজ্জা লাগছে, তবে বলতে ইচ্ছে
করছে, আনুষ্কা, আমি কি তোমার দুধদুটো টিপতে পারি?
আনুষ্কা একদম শুভ্রের পাশে বসা থাকতে শুভ্র আনুষ্কার টাইট সিল্কের
সালোয়ারের ভিতরে ফুলে থাকা দুধদুটো বেশ ভালো করেই দেখতে পাচ্ছে।
ব্যাপারটি ইলোরা খেয়াল করল। সে হেসে বলল, এই আনুষ্কা, আমাদের কানাবাবা
দুরের জিনিস চশমা ছাড়া দেখতে না পেলেও কিন্তু কাছের
জিনিস খুব ভালো করেই দেখে বলে আমার মনে হচ্ছে। তোর বুকের দিকে যেভাবে
তাকিয়ে আছে, এই বুঝি খাওয়া শুরু করবে। আনুষ্কা হাসল।
হেসে বলল, এই ইলোরা, শুভ্রের রুমের দরজাটা লাগিয়ে দে। আজকে আমরা কানাবাবাকে
ভার্জিনিটির অপবাদ থেকে মুক্ত করি। ইলোরা হাসতে
হাসতে দরজার কাছে গিয়ে আস্তে করে দরজাটি লাগিয়ে দিলো।
শুভ্র যেন খুবই বিব্রত হচ্ছে এমন ভান করে বিছানা থেকে উঠতে চাইল আর বলল,
এই, দুষ্টামি রাখতো। আমার চশমাটা খুঁজতে হবে। আর
তারপর দারুচিনি দ্বীপের প্ল্যান করার জন্য মিটিংয়ে যেতে হবে।
আনুষ্কা তার এক হাত দিয়ে শুভ্রকে বাধা দিয়ে একটু ঘুরে গিয়ে এবার তার মুখটি
শুভ্রর মুখের ঠিক কাছে এনে বলল, 'ইস, রসময় গুপ্তের
বই পড়ে রাতে হাত মেরে ঘুমায়, আর এখন একদম ভাব করে যেন ফেরেস্তা। ছেলেদের
সবাইকে চেনা আছে। যারা উপর দিয়ে খুব ভালো ভাব
ধরে রাখে, তারাও একেকটা সেক্সের বেলায় ওস্তাদ।' এরপর আনুষ্কা একদম সেক্সি
আর মিষ্টি গলায় বলল, 'আহহহহ মাই ডিয়ার শুভ্র,
ডোন্ট মিস দিস অপরচুনিটি বেবি, কিস মি।' বলেই আনুষ্কা তার ঠোঁটদুটো শুভ্রের
ঠোঁটের কাছে নিয়ে এলো।
আনুষ্কার সেক্সি গলা শুনে আর সর্বোপরি আনুষ্কার শরীরের মিষ্টি ঘ্রাণ যেন
শুভ্রের সারা শরীরকে মায়াবী এক কামুকতায় ভরিয়ে দিল। শুভ্র আচমকা
ঝাপটে ধরে আনুষ্কার ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট মিলিয়ে একের পর এক চুমো খেতে
লাগল - ইমমমম উমমম আহহমমম, ইয়াম ইয়াম। এতো
কড়া করে শুভ্র আনুষ্কাকে চুমো দিতে লাগলো যে শুভ্রর ঠোঁটে আনুষ্কার
লিপস্টিকের অনেকটাই মিশে গেল। আর ঠিক এরই মাঝে শুভ্রের লুঙ্গির
অন্তরালে ছোট হয়ে থাকা নুনুটা যেন শক্ত একটি লৌহদন্ডে পরিণত হলো। একদম খাড়া
হয়ে লুঙ্গি যেন ভেদ করে মহাশূন্যের দিকে যাত্রা করবে
এমন একটি রকেটের মতন লাগছে।
ব্যাপারটা ইলোরা খেয়াল করল। সে এবার কাছে এসে বিছানায় উঠে গেল। আনুষ্কা আর
শুভ্র তখনও একে অপরকে জড়িয়ে ধরে চুমো খাচ্ছিল। শুভ্র
বিছানায় হেলান দিয়ে শুয়ে আর আনুষ্কা শুভ্রের বামদিকে শুভ্রের দিকে মুখ করে
বসে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে চুমা খাচ্ছিল। যার ফলে ইলোরা
যথেষ্ট জায়গা পেলো বিছানায় উঠে শুভ্রের লুঙ্গিটি খুলে ফেলার জন্য। লুঙ্গিটি
সরিয়ে শুভ্রের নুনুটি উন্মুক্ত করতেই সেটির সাইজ আর অগ্নিদৃষ্টি দেখে
ইলোরার সারা শরীরে কামবাসনা তীব্রভাবে জেগে উঠল। সাথে সাথে ইলোরা তার
ঠোঁটদুটো পুরে দিল শুভ্রের নুনুর উপর। পর পর কয়েকবার
ললিপপের মতন উপর নিচ করে সেটি চাটতে লাগলো আর গোঙাতে লাগল - উমম আহহহ উম্ম।
আর এদিকে শুভ্রও যেন তখন কামসুখের উল্লাসে ফেটে পড়তে লাগলো আর আনুষ্কার
গালে এলোমেলো ভাবে চুমো দিতে লাগল, কখনো কখনো
জিহ্বা দিয়ে আনুষ্কার সমস্ত মুখমন্ডল চেটে দিতে লাগল।
আনুষ্কা এবার নিজেকে শুভ্রর বাহু থেকে সরিয়ে নিয়ে পেছনে ঘুরে ইলোরার
ব্লো-জব দেখে বলল, 'কিরে ইলোরা, আমাকে ফেলে একা একা সব
খেয়ে ফেলছিস কিনা?' ইলোরা এবার থামল। তারপর আনুষ্কার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল,
খেতে আর পারলাম কই? তুই যেভাবে নজর দিচ্ছিস?
ওরা দুজনেই একসাথে হেসে ফেলল। আর এদিকে প্রচন্ড কামসুখে শুভ্রর মাথায় যেন
কিছুই ঢুকছিল না। সে শুধু আহহ উহহ করে গোঙাতে লাগল।
আনুষ্কা হেসে বলল, ওয়াও! শুভ্রর পেনিস তো দেখি বিশাল সাইজের! আমি আর সহ্য
করতে পারছি না। আনুষ্কা দেরি না করে তার সালোয়ার
আর কামিজটি খুলে ফেলল। ইলোরাও তাই করল। শুভ্র দুজনের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে
তাকিয়ে রইল। এর আগে সে কখনো এভাবে দুটি মেয়েকে
একসাথে কাপড় খুলতে থাকা দুরের কথা, একটি মেয়েকেও কখনো সামনা সামনি কাপড়
খুলতে দেখেনি।

Comments
Post a Comment